Skip to main content

এই বয়সটা খুবই মধুর।

 সময়মতো বিয়ে সফলতায় যাবে নিয়ে।

---------------------

১৪/১৫ বয়সে যদি কুমারি মেয়েরা বিয়ে করে, আর ১৮/২০ বয়সে যদি ছেলেরা বিয়ে করে। তাহলে ২৪/২৫ বয়সের মধ্যেই ঐ মেয়ে ১০ বছরের যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে। 

আর ২৭/২৮ বছরে এসেই একটা ছেলে যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে। 


এই বয়সটা খুবই মধুর।


আবেগ,অনুভূতি, প্রেম চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে, আর তাদের এই ১০ বছর যৌবন উপভোগের ফাঁকেই তাদের সন্তান বড় হয়ে যাবে।

এভাবে দেখতে দেখতে আরো ৫ টি বছর তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে যাবে।

মেয়ে সন্তান হলে বিয়ের আসরে বসবে। 

তখন কোলে আসবে আদরের নাতি। 

এই উপভোগের মধ্যেই যে তারা একটা শক্তশালী পরিবার ও সংসার গড়ে ফেলেছে অজান্তেই। যেটা ভাঙন অসম্ভব প্রায়। ভাঙনের প্রশ্নই আসে না, কারণ যৌবন উপভোগের পিরিয়ডেই তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হবার কাছাকাছি। 

তখন তো স্বপ্নের মত হয়ে উঠে। 

কারণ পিতা-মাতার মুখে স্বস্তির নিঃশ্বাস যে, তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে তাদের ভরণপোষণের সহযোগী হবে। 

আপনি চিন্তা করতে পেরেছেন কী একটা শক্তিশালী সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থা ছিলো আমাদের৷ 

আর এখন ১৪ থেকে ২৫ এই যৌবনের ১০ বছরে কয়টা মেয়ের বিয়ে হয়েছে। 

১৭/১৮ থেকে ২৭ /২৮ এই ১০ বছরে কয়টা ছেলের বিয়ে হয়েছে৷ এখন মানুষ এমন পর্যায়ে বিয়ে করে। 

না থাকে আবেগ,অনুভূতি, প্রেম,যৌবন না আবেদন। 

তাই বিয়ের ১ সপ্তাহে পরই এদের সামনে দাঁড়ায় বাস্তবতা। এই বাস্তবতায় সে হিসাব করে তার স্ত্রী থেকে কি পেলো। 

আর তার স্ত্রীও হিসাব করে তার স্বামী থেকে কি পেলো। তখন শুরু হয় দরকষাকষি ও দ্বন্দ্ব। এক পর্যায়ে বিষাক্ত হয়ে উঠে তাদের সম্পর্ক। 

আপনি যতই বলেন দাম্পত্য স্যাক্রিফাইস তখনই হবে। যখন একজন আরেকজনের উপর নির্ভরশীল। আর আজকের দাম্পত্যে আবেহ অনুভূতি, প্রেম,ভালোবাসা কিছুই নেই। 

কারণ অধিকাংশ ই শিক্ষা জীবনে প্রেম করে সব খুইয়ে ফেলে৷ আর অধিকাংশ ছেলেই পাপ,হস্ত'মৈথুন করে যৌবন হারিয়ে ফেলে। 

আপনি শিক্ষিত হতে পারেন। ম্যাচুরড হতে পারেন। স্বাবলম্বী হতে পারেন। প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। কিন্তু একজন সফল সংসারী হতে পারবেন না। 

কারণ সংসারের মৌলিক উপাদান হলো প্রেম,আবেগ,অনুভূতি, যৌবন,আবেগ। এগুলো কখনো আটকে রাখার জিনিস না। ইচ্ছে করলেই এগুলো টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন না।।কারণ এখানে টাইম ফ্যাক্টর। আর সেটাই আরলি বিয়ে। 

আর এই আরলি বিয়ের কারণেই আপনি বাপ দাদাদের আমলে ডিভোর্স বলতে কিছু ছিলো না। ক্যানো ডিভোর্স হতো না। পোস্টের শুরুতেই বলে দিয়েছি। 

আধুনিক অভিভাবকদের বলতে চাই৷ আর্লি ম্যারেজ করালেই আপনার সন্তান বিপদে পড়বে এই ট্যাবু থেকে বের হন৷ প্রতিষ্ঠিত হবার অপেক্ষায় রেখে যৌবন ফুরিয়ে যাবার পর বিয়ে করিয়ে দিলে। ডিভোর্স এর গ্লানি বইতে হবে। 


তখন ডিভোর্স প্রাপ্ত সন্তানের ওজন কতটুকু সেটা ভুক্তভোগী ই জানে৷

Comments

Popular posts from this blog

 New state created After 1956 1. Gujrat and Maharashtra 2.kerala 3.karnataka  4.Nagaland  5.haryana 6. Himachal Pradesh 7. Meghalaya 8.Manipur  9.Tripura.  10. Sikkim 11.mizoram 12.Arunachalpradesh.  13. Goa.  14. Chattisgarh. 15.uttarakhand . 16. Jharkhand 17. Telengana Note- The all above states are created by state reorganization Act(1956)

শ্মশানঘাট ।

 “শ্মশানঘাট । সজল ব্যাটা একেবারে মহা হারকিপটে । কখনও ভুলেও ওর কাছ থেকে একটা টাকা খসানো যায় না । এমন নয় যে ওরা গরীব। টাকা পয়সা নেই । টাকা শহরে ও’র বাবার চার-চারটে বাড়ি ।  এখানে সেখানে ছড়ানো ছিটানো নানা রকমের ব্যবসা-বাণিজ্য । ভাইগুলো সব বিদেশে লেখাপড়া করছে । দু’দিক থেকে টাকা পয়সা ওদের বাসায় ঢুকছে কিন্তু বেরুবার পথ পাচ্ছে না । তবুও ব্যাটার এমন কিপটেমি আমাদের আর সহ্য হয় না । দিনের পর দিন আমাদের টাকায় এটা সেটা খেয়ে দেয়ে বেশ আছে । তাই আমরা একদিন ঠিক করলাম যে, ওকে একটা শিক্ষা দিয়ে ছাড়বো ।  তাতে যাদি ওর হাড় কিপটেমি ভাবটা দূর হয়। রতনদের বাড়ী বুড়িগঙ্গা নদীর খুব কাছে । আমাদের স্কুল থেকে ওদের বাসাটা কাছে হওয়ায় স্কুল ছুটির পর কিংবা বন্ধের দিনগুলোতে আমাদের বেশির ভাগ আড্ডাগুলেই রতনদের দোতালার ছাদেই হতো ।  রতনদের ছাদ থেকে বড়ীগঙ্গা নদীর পুরোটা দেখা যায় । বিকেল বেলা নদীর বুকে ব্যস্ত লঞ্চগুলো দেখতে বেশ লাগে । তাই আড্ডার জন্য এর চেয়ে আর্দশের জায়গা আর হয় না । যে কোন ভাল জিনিষের পাশাপাশি যেমন একটা খারাপ জিনিষ থাকে । ঠিক তেমনি রতনদের ছাদ থেকে বুড়ীগঙ্গার সন্ধ্যাকালীন মনোরম দৃশ্য দেখার পাশাপ...

ছেলেবেলার বন্ধুত্বটা

 সেই ছেলেবেলার বন্ধুত্বটাও  শেষ হয়ে গেছে । শুধু পড়ে রয়েছে  তাদের দুজনের সথে কাটানো সময় গুলো। হয়তো তারাও আর কিছু দিন পর অনেক দূরে সরে যাবে । তাদের সাথেও আর যোগাযোগ হবে না ।  সেই সাল টুকু মনে আছে 2013,14,15  ব্যাস আর তার পর সব অতীত যেনো । ভেবেছিলাম তাদের দুজনের সাথে আর কোনোদিন দেখা হবে না আমার সবাই আলাদা হয়ে যাবো। কিন্তু কাল চক্রে হঠাৎ করে তাদের দুজনের সাথে দেখা হয়। প্রায় 9 বছর পর  সবাই খুব বদলে গেছে কিন্তু আমাদের ছেলেবেলার বন্ধুত্বটা যেনো বেঁচে আছে। ৮টা বছর পর যে তার সাথে দেখা মানে তাদের দুজনের সাথেই দেখা যেনো গল্প শেষ হতে চাই না। আর আমাদের দুষ্টুমি 😄 যেখানে সেখানে । আর সেই  Primary School ঘটনা গুলো নিয়ে চর্চা যেনো শেষ হওয়ার নাম নিত না । কি স্বর্ণ ময় যুগ ছিল বল, আমাদের সেই পরিষ্কার মন । দিন গুলো মনে করলে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে বল । কেনো বড় হলাম হুট করে সবাই আলাদা হলাম । কালচক্রে আমরা আবার সেই জাগাইতে Admisioon হলাম । কিন্তু তাই আবার আলাদা ক্লাস রুম বল। সেই  দিন গুলো আজও মনে আগত হয় ফিরে পায়ার চেষ্টায় বল কি আর করাই যায় । একদিন তো আমাদের...