Skip to main content

Posts

অসহায় || চোখে ঘুম থাকবেনা

 “একটা মেয়ে তার 🤵🏻Boy Friend কে জিজ্ঞেস করেছিলোঃ 👰🏻--আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলে তুমি কি করবে? 🤵🏻--ছেলেটা উত্তর দিলো, ভুলে যাবো 🤵🏻ছেলেটার উত্তর শুনে 👰🏻মেয়েটি রাগে অন্যদিকে মুখ ঘোরালো। 🤵🏻ছেলেটি আবার বললো: --সবচেয়ে বড় কথা । আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে যাবো। তার চেয়েও বেশি দ্রুত তুমি আমাকে ভুলে যাবে। 👰🏻প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ --কি রকম? 🤵🏻ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ "মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ, চারিদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ, মানুষের ভিড়। তুমি চাইলেও তখন আমার কথা মনে করতে পারবে না। ''আর আমি তখন তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়তো কোন বন্ধুর সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে থাকবো। আর একটু পর পর তোমাকে হৃদয়হীনা বলে গালি দিবো। আবার পরক্ষনেই পুরাতন স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবো। "বিয়ের পরের দিন তোমার আরো ব্যস্ত সময় কাটবে। আর প্রথম সপ্তাহে ' স্বামী আর মিষ্টির প্যাকেট, এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে ঘুরে বেড়াবে। আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মন...
Recent posts

ছেলেবেলার বন্ধুত্বটা

 সেই ছেলেবেলার বন্ধুত্বটাও  শেষ হয়ে গেছে । শুধু পড়ে রয়েছে  তাদের দুজনের সথে কাটানো সময় গুলো। হয়তো তারাও আর কিছু দিন পর অনেক দূরে সরে যাবে । তাদের সাথেও আর যোগাযোগ হবে না ।  সেই সাল টুকু মনে আছে 2013,14,15  ব্যাস আর তার পর সব অতীত যেনো । ভেবেছিলাম তাদের দুজনের সাথে আর কোনোদিন দেখা হবে না আমার সবাই আলাদা হয়ে যাবো। কিন্তু কাল চক্রে হঠাৎ করে তাদের দুজনের সাথে দেখা হয়। প্রায় 9 বছর পর  সবাই খুব বদলে গেছে কিন্তু আমাদের ছেলেবেলার বন্ধুত্বটা যেনো বেঁচে আছে। ৮টা বছর পর যে তার সাথে দেখা মানে তাদের দুজনের সাথেই দেখা যেনো গল্প শেষ হতে চাই না। আর আমাদের দুষ্টুমি 😄 যেখানে সেখানে । আর সেই  Primary School ঘটনা গুলো নিয়ে চর্চা যেনো শেষ হওয়ার নাম নিত না । কি স্বর্ণ ময় যুগ ছিল বল, আমাদের সেই পরিষ্কার মন । দিন গুলো মনে করলে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে বল । কেনো বড় হলাম হুট করে সবাই আলাদা হলাম । কালচক্রে আমরা আবার সেই জাগাইতে Admisioon হলাম । কিন্তু তাই আবার আলাদা ক্লাস রুম বল। সেই  দিন গুলো আজও মনে আগত হয় ফিরে পায়ার চেষ্টায় বল কি আর করাই যায় । একদিন তো আমাদের...

সন্তানের বিছানা

 সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য ! কেন করবেন❓ রিবা (ছদ্ম নাম) । বয়স সাত । ওয়ানে পড়ে । ধবধবে ফর্সা । মাথা ভর্তি কোকড়ানো চুল । টলটলে চোখ । মনে হয় একটু ছুঁয়ে দিলেই ব্যস । চোখের মায়া আবীর হয়ে হাতে লেগে যাবে । প্রজাপতির রঙের মতো । ওর মায়ের সাথে সেদিন চেম্বারে এসেছে । প্রসাবে জ্বালা পোড়া । তল পেটে ব্যথা । মায়ের ভাষ্য, ম্যাডাম, পিসাব করনের সময় খালি কান্দে আর লাফায় । পেট চেপে খিচ্চা বইসা থাকে । পরীক্ষা করে দেখতে চাইলে, প্যান্ট খুলে রিবার মা যা দেখালো তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না, বললেই ভালো । সরাসরি জিজ্ঞেস করলে মা বলবে, কী যে কন, ছোট মানুষ । মনেমনে দু-একটা গালিও যে দিবে না, বলা যায় না । ডাক্তারদের এ এক জীবন ! কত কী যে দেখতে হয় ! ঘুরিয়ে প্যচিয়ে জিজ্ঞেস করি, বাড়িতে কে কে আছে ❓  ওর বাপ আর আমি । আর কেউ না ❓  না ম্যাডাম । তবে পাশেই ভাসুরের বাসা । ও কার সাথে খেলাধুলা করে ❓ আমার ভাসুরের পোলার সাথে । বয়স এগারো বারো । সিক্সে পড়ে । সারাদিন দৌড়াদৌড়ি ঝাঁপাঝাপি । ভিডিও গেমস, ইউটিউব নাকি কি কয় এসব নিয়া থাকে । সারা বাড়িতে আর বাচ্চাকাচ্চা নাই তো । অরা অরাই খেলে । আমিও তেমন ...

পূর্ণতা

~পূর্ণতা••••  একসাথে পথচলাটা শুরু করছিলাম ছাত্র জীবনের নবম শ্রেণী থেকে। বয়স অনেকটাই কম থাকায় অনেকেই প্রশ্ন করেছিল কী বুঝিস, ভালোবাসার? কোনো উওর না থাকায় মুচকি হাঁসিতেই বাক্য শেষ করতাম। কেবল একে-অপরের ওপর বিশ্বাস রেখে পার করে দিলাম প্রায় বারো খানা বছর।এখন আমরা উভয়েই প্রতিষ্ঠিত। যে হাতটি শক্ত করে বারো বছর আগলে ছিল দূর থেকে, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পরিবারের অনুমতি নিয়ে সেই হাতটি চাইতে আসল মোহন।                                        দেখতে দেখতে চলেই এল বিবাহের দিনটা।                                গোধূলি লগ্নে বিবাহ, শুভদৃষ্টি পরে যখন তাকালাম তখন দেখলাম উভয়ের চোখ এক সমুদ্র জল জমেছে এত দিনের ভালোবাসা পূর্ণতা পাওয়া আনন্দে। মুখে কোনো কথা নেই অথচ ঠোঁটের কোনো লেগে আছে হাঁসি। মালা বদলের পূর্বে চোখে সামনে ভেসে ওঠে বারোটা বছরের স্মৃতি, আর কানের কাছে গুনগুন করে মোহনের প্রতিশ্রুতি গুলো। "সত্যিই ভালোবাসা অসম্ভব সু...

এই বয়সটা খুবই মধুর।

  সময়মতো বিয়ে সফলতায় যাবে নিয়ে। --------------------- ১৪/১৫ বয়সে যদি কুমারি মেয়েরা বিয়ে করে, আর ১৮/২০ বয়সে যদি ছেলেরা বিয়ে করে। তাহলে ২৪/২৫ বয়সের মধ্যেই ঐ মেয়ে ১০ বছরের যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে।  আর ২৭/২৮ বছরে এসেই একটা ছেলে যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে।  এই বয়সটা খুবই মধুর। আবেগ,অনুভূতি, প্রেম চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে, আর তাদের এই ১০ বছর যৌবন উপভোগের ফাঁকেই তাদের সন্তান বড় হয়ে যাবে। এভাবে দেখতে দেখতে আরো ৫ টি বছর তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে যাবে। মেয়ে সন্তান হলে বিয়ের আসরে বসবে।  তখন কোলে আসবে আদরের নাতি।  এই উপভোগের মধ্যেই যে তারা একটা শক্তশালী পরিবার ও সংসার গড়ে ফেলেছে অজান্তেই। যেটা ভাঙন অসম্ভব প্রায়। ভাঙনের প্রশ্নই আসে না, কারণ যৌবন উপভোগের পিরিয়ডেই তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হবার কাছাকাছি।  তখন তো স্বপ্নের মত হয়ে উঠে।  কারণ পিতা-মাতার মুখে স্বস্তির নিঃশ্বাস যে, তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে তাদের ভরণপোষণের সহযোগী হবে।  আপনি চিন্তা করতে পেরেছেন কী একটা শক্তিশালী সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থা ছিলো আমাদের৷  আর এখন ১৪ থেকে ২৫ এই যৌবনের ১০ বছরে কয়টা মেয়ের বিয়ে হ...
 

হতাশ হবেন না...

 একটি শিক্ষামূলক গল্প * হতাশ হবেন না... বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর। ঢাকায় যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১১ টা। সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে.. এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)! পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে। কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে.. কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়। আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান! অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে। আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে। কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল, আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন! মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন, আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে। কিন্তু আপনার ধারনা ভুল.. প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন। আগে থাকাদের প্রতি অভিযোগ না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে, সব সময় শান্ত থাকুন। আপনি এগিয়েও নেই,...

মায়াশক্তি

# মায়াশক্তি 👮👮🚒🚰 Mayashakti -দাদা,কটায় ছাড়বে? বাস কনডাক্টরটি তার হাতঘড়িটা একবার দেখে নীলাঞ্জন কে জানালো- -বারোটা পাঁচ... নীলাঞ্জন দেখলো তার হাতে তখনও পনেরো মিনিট সময় রয়েছে।সে বাসে উঠে কাঁধের ব্যাগটা একটা ফাঁকা সীটে রেখে বাস স্ট্যান্ডের একেবারে সামনের একটা দোকানে গিয়ে একটা সিগারেট নিয়ে জ্বালালো।তিন বছর পর সে ব্যাঙ্গালোর থেকে বাড়ি ফিরছে।আসার যে খুব একটা বড় ইচ্ছে ছিলো তা নয়।ছোটো বেলাকার বন্ধু রাকেশের বিয়ে।তাই দেশের বাড়ি আসা। সিগারেটটা শেষ করে সে যখন বাসের সামনে গিয়ে দাঁড়াল তখনও মিনিট পাঁচেক সময় বাকি বাস ছাড়তে।নীলাঞ্জনের ভীড় একেবারে পছন্দ নয়।এক তো লোকাল ট্রেনে ভীড় পেয়েছে।এবার যদি বাসেও ওই একই রকম ব্যাপারটা হয় তো.. বাস ড্রাইভার বাসে উঠে বাস ছাড়বার হর্ণ দিলো।নীলাঞ্জন কানে ব্লুটুথ হেডফোনটা লাগিয়ে নিয়ে তাতে অরিজিৎ সিং এর প্লে ট্র‍্যাক চালিয়ে ভেতরে গিয়ে দেখে তার ব্যাগের পাশে আর একটা অন্য কারোর ব্যাগ রাখা।যার ব্যাগ তখনও সে আসেনি।নীলাঞ্জন ভাবলো- আমার কী,যার ব্যাগ সে বুঝবে। বাস প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলো।নীলাঞ্জন জানালার পাশের সীটটায় বসে মুখে রুমাল বেঁধে চোখে চশমা লাগিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলো স...

পাশে #থাকার #উপন্যাস

 #পাশে #থাকার #উপন্যাস  -'তুই চাকরি করিস,আরও অনেক ভালো ছেলে পাবি আরও দু একজন পাত্র দেখাই হোক না।' মায়ের কথার মধ্যে অনিচ্ছা প্রকাশ এর সুর খুঁজে পেলেও গুঞ্জনা পুনরায় একই কথা বলল- -'না মা,ছেলেটার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই ওর ওপর কেমন একটা বিশ্বাস জন্মে গেছে আমার।আর তাছাড়া সবাই তো সরকারি চাকরির ছেলে খুঁজছে,আমি না হয় একজন চাকরি না দেখে একজন ভরসাযোগ্য ছেলেরই নয় হাত ধরলাম।' মেয়ের মতামত শুনে এবার পাশ থেকে বাবা বলতে বাধ্য হলো- -'জেনে বুঝে আমরা কীকরে একজন বেকার ছেলের হাতে তোকে তুলে দিতে পারি বল।এক যদি কোনো দোকান বা ছোটো খাটোও ব্যবসা থাকতো দেখা যেত শুধু টিউশন পড়ায়।তোকে কতটা কী ভালো রাখতে পারবে! নানা তুই বরং অন্য কোনো ছেলে দেখ গুঞ্জা।আমরা ঠিক মন থেকে সম্বন্ধটা মানতে পারছি না।' মা বাবা আত্মীয় পরিজন কারোর কথাই গুঞ্জনাকে ওর নিজের বিচার থেকে নড়াতে পারলো না এত টুকু।অবশেষে,শুভায়নের সাথে গুঞ্জনার শুভ বিবাহ সম্পন্ন হলো। বিবাহের মাস খানেক পর ওদের হানিমুনের জায়গা ঠিক হলো দীঘায়।গুঞ্জনার বাড়ি থেকে চেয়েছিলো মেয়ে জামাই মেঘালয়ে যাক।এ জন্য তারা ব্যবস্থা করে দিতেও চেয়েছিলো।কারন-সদ্য বিবাহের ...

স্বপ্ন দেখতাম পাইলট হবো

  একজন লোকোমাস্টারের নির্ঘুম রাতের অজানা কাহিনী........ পিন পতন শব্দ! রাত্রি দ্বি-প্রহর! দু একটা পাখি কিচিরমিচির ডাকছে। দূরের রাস্তার মাঝ প্লাটফর্ম ধরে হাটছি। হকারের ডাক.. এইইই পানি... এইইই ঝালমুড়ি... এইইই গরম ডিম, চানাচুর...।  আওয়াজটা না ক্রমশঃ দূর থেকে কাছে ভেসে আসছে।।  আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন। ৩ নং প্লটফর্মে চট্টগ্রাম মেইল দাঁড়িয়ে আছে। আজ ঐ ট্রেনের দায়িত্বে থাকবো। সকল ট্রেনকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার অর্পিত দায়িত্ব নিয়েছিলাম ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে। এই দায়িত্ব কিন্তু স্বজ্ঞানে বুঝে শুনেই নিয়েছিলাম।  কেন জানেন? - কিছু সুযোগ সুবিধা সহ হ্যান্ডসাম স্যালারী আছে বলে।  শীতকালে যেমন গাছের  পাতা ঝড়ে গিয়ে রুগ্ন হয়ে যায়,  আমিও বয়সের বাড়ে যখন নুয়ে পড়ব তখন অন্যদের তুলনায় সামান্য বাড়তি সুবিধা পাবো এই চাকরিতে । এই সূবিধা কিন্তু ব্রীটিশ সরকার রেলওয়ের অত্যাবশীয় কর্মীদের জন্য রেখে গেছেন। ব্রীটিশরা শুধু শোষণ করতেই জানতেন না, ১৫৯ বছর পর জানলাম তারা দিতেও জানতেন। ছোটকালে স্বপ্ন দেখতাম পাইলট হবো( হয়েছিও তাই উড়াল পথে নয়)। সাবসিডিয়ারী কিছু স্বপ্নও দেখতাম যেমন- ডিফ্যান্সে সেনা কর্ম...

Booklist of CLASS 11

 BOOKLIST OF CLASS 11  MATHEMATICS - RD SHARMA / R.S AGGARWAL Biology - NCERT ( FOR NEET PREPARATION) CHEMISTRY - CHHHAYA PUBLICATION  + NCERT ( BEST' FOR CONCEPT CLEAR) Physics - CHHAYA PUBLICATION+ NCERT  Or You can buy HCV FOR CONCEPT CLEAR   For more Information DM ME ON  INSTAGRAM- @it.subhajit.g FB- Subhajit Gorai TWITTER - itsubhajitg  NOTE: For IIT JEE/ NEET PREPARATION CONTACT  ME FOR FREE PCM NOTE AND 👑  PREMIUM NOTE  ₹30  For chemistry  ₹50 FOR PHYSICS AND MATH ₹20   Premium note is Available for STUDENTS WHO ARE PREPARED FOR JEE / NEET WITH SOLVED PAPER 

অ্যাম্বুল্যান্সে

 |১|অ্যাম্বুল্যান্সে কাল সারা রাত বৃষ্টি হওয়ার পর রাস্তা ঘাট সব কাঁদা কাঁদা হয়ে গেছে। মেন রোডে গাছ ভেঙে রাস্তা ব্লক হয়ে গেছে। মেন রোড দিয়ে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। এদিকে ভাইয়ের লাশ কিভাবে গ্রামে নিয়ে যাবে এই নিয়ে টেনশনে পড়ে গেলেন খালিদ। সামনে অ্যাম্বুল্যান্সে লাশ! আর পিছনে একটা মাইক্রো গাড়ি করে আত্মীয় স্বজন মিলে প্রায় দশ জনের মতো হবে!  অ্যাম্বুল্যান্সে চালকসহ খালিদের ছোট মামা রয়েছে। চালকের সাথে সহকারী একজন রয়েছে। মাইক্রো গাড়িতে খালিদ তার স্ত্রী, মৃত ভাইয়ের স্ত্রীসহ আরো কয়েকজন কান্না করছে।  রাস্তা ব্লক হওয়ার কারণে গাড়ি আর সামনে যেতে পারবে না। খালিদ নিচে নামলেন। অ্যাম্বুল্যান্স থেকে সহকারী নিচে নামলো। সহকারী বললো, – স্যার, সামনে এগুনোর কোন ওয়ে নেই। আমাদের ফিরে যেতে হবে! – কি! আমি কোনভাবেই ফিরে যাবো না। আমার মা গ্রামে আমার ভাইয়ের লাশ দেখতে চেয়েছেন। আমি যে করেই হোক, নিয়ে যাবোই! দেখো আশেপাশে কোনো না কোনো রাস্তা অবশ্যই আছে! – স্যার, আশেপাশে কোন রাস্তা নেই। কাল রাতে ভয়ঙ্কর বৃষ্টি হয়েছে। সব বন্ধ হয়ে গেছে। – কত টাকা চাই তোমার? – এটা টাকার প্রশ্ন নয় স্যার! ...

একরাতেরগল্প

 #একরাতেরগল্প তখন ভোর ৪ টে, এমার্জেন্সীতে একটা পরিত্যক্ত বেডের উপর শুয়ে আছি। ঘুমটা তখন বেশ ভালোই হচ্ছিলো, গভীর ঘুমের মধ্যে মনেই ছিলো না যে বাড়ির বাইরে রয়েছি।  হঠাৎ Emergency বেলটা বেজে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সিস্টার সুপর্ণাদি দিয়ে এসে বললেন  " স্যার, পেশেন্ট এসছে, খারাপ পেশেন্ট......। ব্যাস এটা শোনামাত্রই একটা অপ্রসন্ন মন আর চোখ ভর্তি ঘুম নিয়ে উঠে বসি। সত্যি বলতে কি ঘুমের মধ্যে থাকায় চশমাটা নেবার আর প্রয়োজন বোধ করি না। তবে ব্যাগ থেকে চিরুনি বার করে চুলটা দু একবার আঁচড়ে নিতে আমি ভুলি না। কারণ ঘাঁটা চুলে আমি লোকের সামনে যাই না।  যাইহোক, এরপর ঘুম চোখে অন্ধের মতো এগিয়ে যাই বেডের দিকে। ক্র‍্যাশ ট্রলিতে ঝুলতে থাকা টর্চ টা হাতে নিই আগে। অল্প অল্প চেয়ে দেখি সামনে তখন পেশেন্টের বাড়ির লোক পিলপিল করছে। সবার মুখে উদ্বিগ্নতা, কেউ কেউ কান্নাকাটিও করছে। আমাদের অবশ্য এসব দেখা রোজকার ঘটনা, তাই খুব একটা ফিলিংস আর আসে না।  এরপর পেশেন্টকে বেডে শোয়ানো হলে সোজা গিয়ে চোখে টর্চ মারি। দেখি পিউপিলারি রিফ্লেক্স কিছুই নেই। এরপর গলায় হাত দিয়ে ক্যারোটিড পালস দেখি। তাতেও কিছু নেই। অতঃপর...

অদ্ভুত লাগে

 অদ্ভুত লাগে নসাইড_দ্যা_ডোর #পর্ব_২_ও_৩ সাইবা_ ...........................................  সোহানের ডাক শুনে তাবিয়া কিছুটা কেঁপে ওঠে। সাহেরা বেগমকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই দৌড়ে ভেতরে চলে যায় সে। পুরো বিষয়টা সাহেরা বেগমের অনেক অদ্ভুত লাগে। নিজের কাছেই নিজে প্রশ্ন রাখে, " তাবিয়া কি চোখের ভাষায় কিছু বোঝাতে চেয়েছিলো আমাকে? যদি তাই হয় তাহলে কি বলতে চায় সে যা সরাসরি মুখে বলতে পারছে না?" হাজার প্রশ্ন মাথায় নিয়ে সাহেরা বেগম গভীর চিন্তায় হারিয়ে যান। "তাবিয়া" চলে যাওয়ার পরে ডাঃ সোহান হাসিমুখে দরজার কাছে এসে দাঁড়ায়। সাহেরা বেগমকে বেশ কয়েকবার ডাক দেয় ডাঃ সোহান। কিন্তু ভাবনায় বিভোর সাহেরা বেগমের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া পায় না। একটু জোরে ডাক দিতেই সাহেরা বেগম কিঞ্চিৎ কেঁপে ওঠেন। ডাঃ সোহানকে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সাহেরা বেগম বলেন, -তোমাদের পরিচয়পত্র নেয়ার জন্য এসেছিলাম। তোমরা এসেছো তো বেশ কয়েকদিন হলো কিন্তু কাগজপত্র গুলো এখনো নেওয়া হয়নি। সাহেরা বেগমের কথা শুনে সোহান "ওহ আচ্ছা আন্টি,আমি এখনই দিচ্ছি" বলে দরজা আঁটকে ভেতরে চলে গেল। বাইরে দাঁড় করিয়ে কথা বলার বিষয়ে এবারও...

ভাঙলো, ঘুম

ভাঙলো, ঘুম   ধরুন আপনার বাড়ি একটা কবরস্থানের দেয়ালের কাছে। রাতে আপনি ঘুমাচ্ছেন হঠ্যাৎ আপনার ঘুম ভাঙলো, ঘুম ভেঙে ঘুম ঘুম চোখে কফ বা থুতু ফেলার জন্য জানালা খুললেন খুলে চাঁদের বা কবরস্থানের লাইটের আলোতে দেখলেন কবরস্থানের দেয়ালে একজন মানুষ পা ঝুলিয়ে বসে আছে যাকে আপনি চিনেন সে আপনার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিলো। আপনি তার নাম ধরে ডেকে বললেন "কি রে বাড়ী যাস নি, এখনে কেন" সে কোন কথা বললো না আপনি থুতু বা কফ ফেলে একটু আড় চোখে মানুষটিকে দেখে জানালা বন্ধ করে আবার শুয়ে পরলেন একটু পর আপনার মনে হলো আপনি যে ব্যক্তিকে দেখলেন যে সপ্তাখানেক আগে মারা গিছে আর এই কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।আপনার বুকের ধরফরানী বেড়ে গেলো রুমের ড্রীম লাইটের আলোতে দেখলেন আপনার ঘরের সিলিং এ একটু আগে দেখা মানুষটি ঝুলে আছে😱। কি করবেন আপনি?? এটা একটি সত্য ঘটনা, যে মহিলার সাথে ঘটেছিলো তিনি প্রচন্ড ভাবে ভয় পেয়ে মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলো।