Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2024

সন্তানের বিছানা

 সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য ! কেন করবেন❓ রিবা (ছদ্ম নাম) । বয়স সাত । ওয়ানে পড়ে । ধবধবে ফর্সা । মাথা ভর্তি কোকড়ানো চুল । টলটলে চোখ । মনে হয় একটু ছুঁয়ে দিলেই ব্যস । চোখের মায়া আবীর হয়ে হাতে লেগে যাবে । প্রজাপতির রঙের মতো । ওর মায়ের সাথে সেদিন চেম্বারে এসেছে । প্রসাবে জ্বালা পোড়া । তল পেটে ব্যথা । মায়ের ভাষ্য, ম্যাডাম, পিসাব করনের সময় খালি কান্দে আর লাফায় । পেট চেপে খিচ্চা বইসা থাকে । পরীক্ষা করে দেখতে চাইলে, প্যান্ট খুলে রিবার মা যা দেখালো তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না, বললেই ভালো । সরাসরি জিজ্ঞেস করলে মা বলবে, কী যে কন, ছোট মানুষ । মনেমনে দু-একটা গালিও যে দিবে না, বলা যায় না । ডাক্তারদের এ এক জীবন ! কত কী যে দেখতে হয় ! ঘুরিয়ে প্যচিয়ে জিজ্ঞেস করি, বাড়িতে কে কে আছে ❓  ওর বাপ আর আমি । আর কেউ না ❓  না ম্যাডাম । তবে পাশেই ভাসুরের বাসা । ও কার সাথে খেলাধুলা করে ❓ আমার ভাসুরের পোলার সাথে । বয়স এগারো বারো । সিক্সে পড়ে । সারাদিন দৌড়াদৌড়ি ঝাঁপাঝাপি । ভিডিও গেমস, ইউটিউব নাকি কি কয় এসব নিয়া থাকে । সারা বাড়িতে আর বাচ্চাকাচ্চা নাই তো । অরা অরাই খেলে । আমিও তেমন ...

পূর্ণতা

~পূর্ণতা••••  একসাথে পথচলাটা শুরু করছিলাম ছাত্র জীবনের নবম শ্রেণী থেকে। বয়স অনেকটাই কম থাকায় অনেকেই প্রশ্ন করেছিল কী বুঝিস, ভালোবাসার? কোনো উওর না থাকায় মুচকি হাঁসিতেই বাক্য শেষ করতাম। কেবল একে-অপরের ওপর বিশ্বাস রেখে পার করে দিলাম প্রায় বারো খানা বছর।এখন আমরা উভয়েই প্রতিষ্ঠিত। যে হাতটি শক্ত করে বারো বছর আগলে ছিল দূর থেকে, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পরিবারের অনুমতি নিয়ে সেই হাতটি চাইতে আসল মোহন।                                        দেখতে দেখতে চলেই এল বিবাহের দিনটা।                                গোধূলি লগ্নে বিবাহ, শুভদৃষ্টি পরে যখন তাকালাম তখন দেখলাম উভয়ের চোখ এক সমুদ্র জল জমেছে এত দিনের ভালোবাসা পূর্ণতা পাওয়া আনন্দে। মুখে কোনো কথা নেই অথচ ঠোঁটের কোনো লেগে আছে হাঁসি। মালা বদলের পূর্বে চোখে সামনে ভেসে ওঠে বারোটা বছরের স্মৃতি, আর কানের কাছে গুনগুন করে মোহনের প্রতিশ্রুতি গুলো। "সত্যিই ভালোবাসা অসম্ভব সু...

এই বয়সটা খুবই মধুর।

  সময়মতো বিয়ে সফলতায় যাবে নিয়ে। --------------------- ১৪/১৫ বয়সে যদি কুমারি মেয়েরা বিয়ে করে, আর ১৮/২০ বয়সে যদি ছেলেরা বিয়ে করে। তাহলে ২৪/২৫ বয়সের মধ্যেই ঐ মেয়ে ১০ বছরের যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে।  আর ২৭/২৮ বছরে এসেই একটা ছেলে যৌবনের স্বাদ পেয়ে যাবে।  এই বয়সটা খুবই মধুর। আবেগ,অনুভূতি, প্রেম চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে, আর তাদের এই ১০ বছর যৌবন উপভোগের ফাঁকেই তাদের সন্তান বড় হয়ে যাবে। এভাবে দেখতে দেখতে আরো ৫ টি বছর তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে যাবে। মেয়ে সন্তান হলে বিয়ের আসরে বসবে।  তখন কোলে আসবে আদরের নাতি।  এই উপভোগের মধ্যেই যে তারা একটা শক্তশালী পরিবার ও সংসার গড়ে ফেলেছে অজান্তেই। যেটা ভাঙন অসম্ভব প্রায়। ভাঙনের প্রশ্নই আসে না, কারণ যৌবন উপভোগের পিরিয়ডেই তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হবার কাছাকাছি।  তখন তো স্বপ্নের মত হয়ে উঠে।  কারণ পিতা-মাতার মুখে স্বস্তির নিঃশ্বাস যে, তাদের সন্তান উপার্জনক্ষম হয়ে তাদের ভরণপোষণের সহযোগী হবে।  আপনি চিন্তা করতে পেরেছেন কী একটা শক্তিশালী সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থা ছিলো আমাদের৷  আর এখন ১৪ থেকে ২৫ এই যৌবনের ১০ বছরে কয়টা মেয়ের বিয়ে হ...